দুই তরুণীর প্রাণ বাঁচিয়ে মৃত্যুর মুখে নৈহাটির যুবক, ঘটনাটি জানলে আপনিও রেগে উঠবেন…

0
1218

জীবনের ঝুকি নিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে দুই তরুণীকে রক্ষা করলেন যিনি তিনি আর কেউ নন, ভগবান রুপে আমাদের মতই এক সাধারণ মানুষ। ১৩ই ডিসেম্বর ভরতি জীবনবাবু নামক নৈহাটি অঞ্চলের এক ছোট কেক বিস্কুটের দোকানের মালিকের সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু প্রান বাঁচাতে গিয়ে তিনি প্রচণ্ড পরিমাণে আঘাতপ্রাপ্ত হন। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে।

যেই মানুষটি নিজের জীবনের বাজী রেখে ২টো মানুষের প্রাণ বাছিয়েছেন আজ তার প্রাণ নিয়ে টানাটানি চলছে।তার প্রাণ বাচাতে ২০ লক্ষ্য টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এই মুহূর্তে একজন নিম্নমধ্যবিত্য পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করার সামর্থ নেই।

ঠিক এই মুহূর্তে জীবন সরকারের পাশে দাড়িয়েছেন গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ। সরকারের তরফ থেকেও চিকিৎসার জন্য তাকে সাহায্য করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৩শে ডিসেম্বর শ্যামনগর স্টেশনে। কানে হেডফোন লাগিয়ে রেললাইন পার করছিল দুই তরুণী।

তারা গান শুনতে এতটাই মগ্ন ছিল যে ওই লাইন দিয়ে যে ট্রেন আসছে সেটা কেউ দেখতে পায়নি। ঠিক সেই সময় জীবন বাবু দুই তরুণীকে ধাক্কা দিয়ে বাঁচিয়ে দেন, কিন্তু নিজে গুরুতর ভাবে আহত হন। সাথে সাথে এলাকার সরকারী হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেই হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর ডাক্তারদের তরফ থেকে জানানো হয় যে তার অবস্থা খুবই আশংকাজনক। তার মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে যা চিকিতসার জন্য জীবনবাবুকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

জীবনবাবুকে কলকাতার নামী বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তার খরচ হয়ে গেছে প্রায় ১৫ লক্ষ্য টাকা। ইতিমধ্যে তার বাড়ির তরফ থেকে ৬ লক্ষ্য টাকা খরচ করা হয়ে গেছে কিন্তু বাকি টাকা না জমা হলে তার চিকিৎসা আটকে যাবে।

অনেকে তার সাহাজ্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। এমন ভালো মনের মানুষকে কেউ হারাতে চান না এই সমাজে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সাহায্যের জন্য সকলের কাছে আবেদন জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন ক্লাব থেকেও সাহায্য করা হচ্ছে।

দুই তরুণীর বাড়ীর তরফ থেকে জীবনবাবুকে সাহায্য করা হয়েছে। এছাড়াও ওই বেসরকারি হাসপাতাল থেকেও তাকে সাহায্য করা হচ্ছে। সকলকে বলা হয়েছে যাতে প্রত্যেকে কিছু হলেও যেন সাহায্য করেন। সবাইকে বলা হচ্ছে নিজের সমর্থ্য অনুযায়ী জীবনবাবুকে সাহায্য করে তাকে বাঁচিয়ে তুলুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here