সরকারের বড় সর ঘোষণা ব্যান হতে চলেছে টিকটক…

0
4531

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সটাগ্রামের মতো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে পাল্লা দিয়ে বর্তমানে টিকটক খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমরা সবাই কমবেশি সকলেই সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত, আর এই টিকটক অ্যাপটিও তার মধ্যে অন্যতম। এখন ইয়ং জেনারেশনের প্রায় সকলেই এই অ্যাপ ব্যবহার করছে। এই অ্যাপের মাধ্যমে সবাই বিভিন্ন গান বেছে নিয়ে তার সঙ্গে ভিডিও বানাচ্ছে।

শুধু গানের ভিডিও নয়, নানা রকম মজার ভিডিও বানাচ্ছে অনেকে। চীনের একটি সংস্থা এই অ্যাপটি বানায়। আর ভারতে এটি খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা লাভ করে। সব জিনিসেরই একটা ভালো দিক আর একটা খারাপ দিক আছে।

এটারও ভালো দিক যেমন মানুষকে মজা দেওয়া তেমন এর খারাপ দিক হল এটা সংস্কৃতির ঐশ্বর্য ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ধীরে ধীরে এটা সাধারণ সুস্থ মানুষকে অসুস্থ যৌ-নতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই এই অ্যাপ বন্ধ করার জন্য তামিলনাড়ু সরকার যা পন্থা অবলম্বন করার তাই করবে।

তিনি বলেন এই অ্যাপটি তরুণদের ছোট ভিডিও করার জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়। সেখানের মন্ত্রী বলেন যে এটি তরুন প্রজন্মকে অ্যাপটির সঙ্গে জড়িয়ে সংস্কৃতিকে পতনের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এটা শুধু তরুন তরুণীদের নয় গৃহবধুদের জন্যেও একটি ফাঁদ তৈরী করেছে।

সম্প্রতি চেন্নাই পুলিশ কিছু চোরা পাচারকারীকে আটক করেছে। যারা টিকটক থেকে নারীদের খারাপ কিছু ভিডিও দেখিয়ে অন্য জায়গা থেকে মোটা টাকা আয় করত। ছাত্রদের বুঝিয়ে লাভ হবেনা জেনে রাজ্য পুলিশ তাদের বাবা মাকে পরামর্শ দিয়েছেন এই অ্যাপটি ব্যবহার না করার।

আর তাদের ছেলেমেয়েরা যাতে অ্যাপটি ব্যবহার না করে তার দিকে নজর রাখার অনুরোধ করেছেন। এক অভিভাবক অভিযোগ করেছিলেন যে টিকটকের ভিডিও স্কুলের মেয়েদের ছবিগুলি যৌ-নমিলনের বিষয়বসতো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইন্টারনেটে প্রচারিত হয়েছে।

পুলিশ ছাত্রীদের এবং তাদের অভিভাবকদের কাউন্সিলিং এর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। তামিল এক সরকারি কলেজের লেকচারারকে নিয়ে খারাপ একটি ভিডিও বানানোর জন্য সেই কলেজের কিছু ছাত্রকে আটক করে রাখা হয়েছিলো। কিছু ছেলে পুলিশকে নিয়েও একটি খারাপ ভিডিও বানিয়েছিল টিকটকে।

তারা পুলিশকে নিয়ে মজা করেছিলো যার ফল খুব একটা ভালো হয়নি। এই টিকটক ভিডিওর জন্য একটি ছেলে আত্মহত্যাও করেছে। এটি যদিও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তবুও বাচ্ছারাও এতে আসক্ত হয়ে পরছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here