এই কার্ফুতে রক্ত নেই…বেঁচে থাকার ইচ্ছা আছে… লকডাউনে এবার কলকাতাও…

0
81

অবশেষে দেশের বাইরে অত মৃত্যুর খবর শুনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লো দেশের ভিতরেও। করোনার বিরুদ্ধে আজকে জনতা কার্ফুর দাবী জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ইতালিতে মারা গেছেন অনেক মানুষ। চীনেও অসুস্থের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সবাই চেষ্টা করছেন  এই মারণ করোনার হাত থেকে বাঁচবার। সব দেশ নিজেদের মত করে গড়ে তুলতে চেষ্টা করছেন প্রতিরোধ ব্যবস্থা। কারণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোগের এখনো সম্পূর্ণ প্রতিষেধক আবিস্কার হয়নি। চেষ্টা চলছে। কিছুটা সফল হয়েছে কিছু দেশ। কিন্তু ভারতের বিপুল সংখ্যক জনসংখ্যা যাতে দ্রুত এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হয় তার জন্য যত রকমের ব্যবস্থা হয় সব করতে রাজী কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই প্রধানমন্ত্রী সব মানুষের কাছে আবেদন করেছেন আজকের দিনটিকে জনতা কার্ফু হিসেবে সব বন্ধ রাখার জন্য।   তার ডাকে সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যেই সকলে নিজের বাড়ির ভিতর।


সকাল থেকেই রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় বোঝা যাচ্ছে মানুষ ঠিক কতটা ভয় পেয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও এই অসময়ে লড়ে যাচ্ছেন সবার কথা ভেবে। এই প্রথমবার সব রাজনীতির পেরিয়ে মানুষ মানুষের কথা ভাবছে।

দেশের সমস্ত রাজ্যের মুখ্য সচিব দের নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকেই জানা যায় যে আগামীকাল থেকেই কলকাতা সহ সমস্ত মিনিউসিপ্যাল শহরকেই নিয়ে যাওয়া হবে লকডাউনের আওতায়। রাজ্য সরকার অন্তত এই পথেই হাঁটছে।

কলকাতা সহ আরও ৭৫ টি জেলা শহরকে লকডাউন করা হবে বলে জানা গেছে খবর। ইতিমধ্যেই সার্কুলারে বেরোনো খবর অনুযায়ী মেট্রো, ট্রেন এবং বাস বন্ধ রাখার খবর এসে পৌছেছে।

আগামী ৩১ শে মার্চ অব্ধি এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইকে আরও দৃঢ় করতে সোমবার ভোর ৫ টা অব্ধি জনতা কার্ফু চালিয়ে যাবে, এমনটাই জানিয়েছে ঝাড়খন্ড ও তামিলনাড়ু। পাঞ্জাবে এখনো পর্যন্ত ১৪ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসায় পাঞ্জাব সরকার লকডাউনের নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছেন। একই অবস্থা না হলেও এখাঙ্কার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে কলকাতাও হাঁটতে চলেছে একই পথে… আপাতত ৩১ শে মার্চ অবধি। ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে এবার মানুষের জিতে যাওয়ার পালা আসতে চলেছে বলে মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here