নিজের স্কুলের ছাত্রকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করলেন শিক্ষিকা। তারপরেই ঘটে গেলো অঘটন…

0
11744

“স্কুলছাত্র ও শিক্ষিকা পালিয়ে বিয়ে করেছেন”, এইকথা এখন গ্রামের সবথেকে মুখরোচক খবর। সবার মুখে এখন তাদের কথাই ঘোরাঘুরি করছে। এলাকার মানুষদের কথা শুনে জানা যায় যে স্কুল এবং কলেজের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী স্কুলছাত্র অর্পন, তার ডাকনাম শুভ। সে তিনদিন আগে পালিয়ে যায় তার ক্লাস শিক্ষিকা সুবর্নার সঙ্গে। জানা যায় তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে।

ছেলেটি বান্দুরা গ্রামের মঞ্জুর ছেলে আর মেয়েটি পাশের হাসানাবাদ গ্রামের মেয়ে। এলাকাবাসী জানায় মেয়েটির এটা তৃতীয় বিয়ে। বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষিকা নানা অজুহাতে ওই ছাত্রের বাড়ি যেত। কেউ সেই বিষয়ে নজর দেয়নি কারন তাদের ছাত্র শিক্ষিকার সম্পর্ক ছিল।

পুলিশ ও স্থানিয় সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী গত সোমবার রাতে প্রেমের টানে ছাত্রের হাত ধরে পলাতক শিক্ষিকা। ছেলেটি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার পরিবারের লোক থানায় অভিযোগ করে। সেই শিক্ষিকা যে তার ছাত্রকে নিয়ে পালাবে তা কখনো কল্পনাও করতে পারেনি কেউ। সেই রাতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে দেয়।

তারপর মঙ্গলবার রাতে ঐ শিক্ষিকার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় অর্পন এবং তার শিক্ষিকাকে। তখনই সেই শিক্ষিকাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বুধবার সকালে লিখিত মুচলেখায় ছাড়া পায় অর্পন। তবে সুবর্না ও অর্পন পুলিশের কাছে দাবী করে যে তারা কোর্ট ম্যারেজ করেছে।

আরো এরকমই এক ঘটনা জানা যায় পলাশী হাইস্কুলের। সেই স্কুলের এক শিক্ষক স্কুলে পড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রাইভেট টিউশনও পড়াত। আর সেই সূত্র ধরে সেই স্কুলের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে শিক্ষক। শুধু তাই নয়, তার স্ত্রীকে গোপন রেখে আটমাস আগে বিয়ে করে সেই ছাত্রীকে।

কিছুদিন আগে সেই শিক্ষক তাকে নিয়ে ওঠে নিজের বাড়িতে। তখন সবাই এই বিষয়টি জানতে পারে। তারপর সেই ছাত্রীর অভিভাবকেরা এসে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তারপর স্কুলের প্রধান শিক্ষিককে সমস্ত ব্যাপারটি জানালে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয় ওই শিক্ষককে।

বর্তমানে ছাত্রীটি তার অভিভাবকের কাছেই আছে। পুলিশ এই ঘপটনার তদন্ত শুরু করায় পলাতক ওই শিক্ষক। পুলিশ চেষ্টা করছে তাকে গ্রেফতার করার। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন এই ব্যাপারে তার কিছুই জানা নেই, ছাত্রীর অভিভাবকের মুখেই তিনি প্রথম শোনেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here