পড়া না পারলে এই ঘৃণ্যতম শাস্তি দেওয়া হয় মেয়েদের এই শিক্ষালয়ে, দেখলে আপনার পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যাবে…

0
26321

শিক্ষক বা গুরুর স্থান একজন ছাত্র বা ছাত্রীর কাছে মা বাবারও ওপরে। ভগবান সমান পুজিত হন একজন শিক্ষক। ভালো ছাত্র বা ছাত্রী সকলে হতে পারে না, তবে চেষ্টা করলে ভালো মানুষ হতে পারে সবাই। আর শিক্ষক হল সেই ভালো মানুষটি তৈরি করার একজন মার্গদর্শক। শিক্ষকের গুরুত্ব যেকোন মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু শিক্ষক নিজে মানুষ হিসেবে কতটা ভালো সেই জিনিষটাও একবার দেখে নেওয়া আবশ্যক। কি তাই না? তাছাড়া শিক্ষকতা শুধু মাত্র একটি পেশা নয়। এটি একটি ব্রত যা প্রত্যেক শিক্ষকেরই পালন করা উচিৎ। শিক্ষকতার প্রতি যদি ভালোবাসা না থাকে, তাহলে সেটি তার নিকট পেশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

একজন শিক্ষক যদি শ্রেণীকক্ষে নিজেকে উপস্থাপন করতে চান তাহলে তার কিছু জিনিষ অবশ্যই স্মরণে রাখা আবশ্যক। প্রথমেই যেটা স্মরণে রাখা উচিৎ সেটা হল তার কারনে কোন ছাত্র বা ছাত্রী ক্ষতিগ্রস্থ না হয়। শিক্ষক হয়েই তিনি যদি ভুল করেন তাহলে শিক্ষকতার কাজটি তার জন্য নয়।

একজন শিক্ষক হল মানুষ তৈরি করার কারিগর। সুতরাং তার ঠিক থাকাটা আবশ্যক। শিক্ষার্থীরা নিজেই সব শিখবে, শিক্ষকের দায়িত্ব হল তাদের সঠিক পথটি দেখিয়ে দেওয়া। কারন বিদ্যালয়ের উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নের খেয়াল রাখাটাও তার কর্তব্য।

তাই ছাত্র ছাত্রীরা কোন রখম ভুল করলে তাকে সঠিক রাস্তাটা তো তিনি দেখিয়ে দেবেন। ঠিক কি না? কিন্তু সেই জায়গায় যদি শিক্ষকের ভুল হয় ? নিজেই যদি ভুল করেন তাহলে তিনি কেমন শিক্ষক ?

ভুল করলে শাস্তি দেওয়া অবশ্যই জরুরি। কিন্তু একজন ছাত্র বা ছাত্রী যতই ছোট হোক না কেন মান সম্মান তারও আছে। তাই শাস্তি দেওয়ার আগে একটু ভাবনা চিন্তা করে শাস্তি দেওয়াটা আবশ্যক। বিদ্যালয়ের পাশাপাশি তিনি সমাজেরও শিক্ষক। সুতরাং ৫টা লোক তাকেই দেখে শিখবে।

আজ আমরা জেনে নেবো এমন একজন শিক্ষকের ব্যাপারে যে বিশেষত ছাত্রীদের পড়া না পারলে বা কোন ভুল করলে শাস্তির বদলে অন্য কিছুই দেন যা শুনলে আপনার পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যাবে।

পড়া না পারলে খুব জোর হলে বকা ঝকা, কান ধরে উঠবস করানো হয় শাস্তি স্বরূপ। কিন্তু ভুল করলে শিক্ষককে চুমু খেতে হয়, এইরকমটাই বহু দিন ধরে হয়ে আসছে বাসুদেবপুর হাই স্কুলে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম অতনু দাসগুপ্ত।

বহু ছাত্রীদের সাথে এমনটাই করে এসেছেন তিনি। যদি কেউ না মানে তাহলে তাকে অন্যরকম নোংরাতম শাস্তি দেওয়া হয়। এরামই এক ছাত্রী চুমু খেতে রাজি না হওয়া তে ৪০বার কান ধরে উঠবস করানো হয় তাকে। বাড়িতে এসে পুরো ব্যাপারটি জানায় মেয়েটি।

বাড়িতে জানানোর ফলে বাড়ির লোকেরা বিশাল ক্ষিপ্ত হয়ে যান এবং স্কুলে এসে চুরান্ত ঝ্যামেলা করেন। স্থানিয়  কাউন্সিলার মুচলেখা লিখিয়ে ব্যাপারটি মেটানোর চেষ্টা করেন। পরে নাকি ব্যাপারটা জোর করে মেটানোর চেষ্টাও করা হয়েছে, এমনকি মেয়েটির বাড়িতে হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here