মাটি খুঁড়তেই বেড়িয়ে এলো শিবলিঙ্গ, সাথে সাপ। পুরো ঘটনা জানলে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠবে…

0
1652

শিলাবতী তীরবর্তী নদী তীরে গত কয়েকদিন ধরে প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই চলছে খনন কার্য। একদিন আকনা গ্রাম সংলগ্ন শিলাবতী নদীর এক স্থান থেকে জে.সি.বি মেশিন দিয়ে বালি তোলা হচ্ছিল। আর সেদিনই দুপুর নাগাদ সেই স্থান থেকে উঠে আসে একটি ছোট শিবলিঙ্গ। আবার তার পাশাপাশি স্থান থেকেও পাওয়া গেছে আরো দুটি শিবলিঙ্গ।

এই শিবলিঙ্গগুলির প্রতিটির উচ্চতা দুই থেকে আড়াই ফুট। যারা বালি তোলার কাজ করছিলো তারা নিজেদের কাজ থামিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের খবর দেয়। সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই সারা গ্রামের লোক এসে ভীড় জমায় সেই স্থানে।

তারপর স্থনীয় কিছু বাসিন্দা বালি খুঁড়তে থাকে। সেখান থেকে বালি তুলতেই তিনটি শিবলিঙ্গ উঠে আসে। শুধু তাই নয় সেখান থেকে উদ্ধার হয় মাটির প্রদীপ, মন্দিরের ব্যবহৃত কারুকার্য করা বাসন কোসন, নানা রকম নকশা করা পাথরের অনেক জিনিস। স্থানীয় বাসিন্দারা সেই গ্রামের গ্রাম পঞ্চায়েত আর ব্লক প্রশাসনকে খবর দিয়ে সেই স্থানটিকে সংরক্ষিত রাখার দাবী জানায়।

সেই এলাকার একটি স্কুলের শিক্ষক বলেন যে “এসব জিনিস দেখে মনে হচ্ছে এখানে কোন বড় মন্দির ছিল। এই স্থানে সরকারি ভাবে পুরাতত্ববিদ দ্বারা খনন কার্য করা উচিত। সেখান থেকে কোন প্রাচীন ইতিহাস উদ্ঘাটিত হতে পারে। যা গবেষকদের কাজে আসবে।”

এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দলে দলে অনেক দূর থেকেও লোক আসছে আসল ব্যাপারটি জানার জন্য। সেখানে কি সত্যিই কোন মন্দির ছিল? প্রায় দু থেকে আড়াই ফুটের উচ্চতার এই শিবলিঙ্গগুলি কিভাবে সেখানে এলো ভেবে পাচ্ছে না এলাকাবাসী। বেশ পুরনো দিনের মানুষেরাও জানেন না এই রহস্যের ব্যাপারে কিছু।

শুধু যে শিবলিঙ্গ পাওয়া গেছে তা নয়, সেই শিবলিঙ্গের সঙ্গে দেখা মিলেছে কিছু বিষধর সাপের। সাপ গুলির আকার বিশাল। স্থনীয় মানুষ সেই সাপ দেখে বেশ ভয় পেয়ে যায়। যারা বালি তুলছিল তারা সেই সাপেদের দেখে ভয়ে বালি তোলার মেশিন বন্ধ করে দেয়।

সেখানকার মানুষের দাবী স্বয়ং মহাদেবের নিশ্চয়ই কিছু ইচ্ছা আছে তাই এমন ঘটনা ঘটেছে। আর তিনিই হয়তো চান সেখানে আবার নতুন করে মন্দির গড়ে উঠুক তাই বালি তোলা বন্ধ করার জন্য সাপেরা এসেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here