“স্বামীর পুরু-ষাঙ্গ অতিরিক্ত বড়, আমি আর পারছিনা” বাধ্য হয়ে ডিভোর্স চাইলেন স্ত্রী, তারপর যা হল…

0
5869

বিবাহ বন্ধন হল দুটি মনের অটুট বন্ধন। বিয়ের সময় একে অপরের কাছে অঙ্গীকার করা সারাজীবন সুখে দুঃখে পাশে থাকার। শুধু মনের বন্ধন বললে হয়তো বলা ভুল হবে, বিয়ে হল মানসিক এবং শারীরিক দুইয়ের বন্ধন। একটি অপরটির পরিপূরক। দুটির মধ্যে যদি একটিরও ঘাটতি থাকে তাহলে সংসার সুখের হয় না। ভেঙ্গে যায় সংসার। মিথ্যে হয়ে যায় একে অপরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি।

আমরা প্রায়ই শুনে থাকি যে নববিবাহিতা স্ত্রীর সঙ্গে শাশুড়ির মতের অমিল হওয়ায় ডিভোর্স, আবার বিয়ের কিছুদিন পর থেকে মাতাল স্বামীর অত্যাচারে ডিভোর্স, স্বামীর সহবাসে অক্ষমতার কারনে ডিভোর্স ইত্যাদি… কিন্তু কেউ কি কখনো শুনেছেন স্বামীর পুরু-ষাঙ্গ অতিরিক্ত বড় হওয়ায় ডিভোর্স ?

না শুনে থাকলে এবার শুনুন – কিছুদিন আগেই বিয়ে হয়েছে লন্ডনের এক দম্পতির। বিয়ের কয়দিন যেতে না যেতেই কোর্টে ডিভোর্সের জন্য আপিল করেছেন লন্ডনের আয়েশা ডান্নুপাওয়া নামে এক মহিলা। তিনি যে অভিযোগ দেখিয়ে ডিভোর্সের জন্য আপিল করেছেন তা বড়ই অদ্ভুত।

তিনি বলেন তার স্বামীর পুরু-ষাঙ্গ অতিরিক্ত বড়। তাই সে সেই স্বামীর সঙ্গে একসাথে থাকতে পারবে না। বিয়ের আগে অল্প মেলামেশার পর তাদের বিয়ে হয়। তখন কোন কিছুই বোঝা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আসল ঘটনা ঘটলো তাদের বিয়ের প্রথম রাতে।

বিয়ের রাতে তাদের সহবাসের আগে আয়েশা তার স্বামীর পুরু-ষাঙ্গ দেখে ভয় পেয়ে যায়। তার অতিরিক্ত দৈর্ঘ্য দেখে ভয়ে নিজের মা কে সব কথা জানায়। তার মা তাকে ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু ওষুধে কোন ফল হবেনা বুঝে স্বামীকে ছেড়ে নিজের বাবা মার কাছে চলে যায় সে।

স্বামীর পুরু-ষাঙ্গ স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত বড় হওয়ায় তার সঙ্গে সংসার করতে অস্বীকার করেন আয়েশা। তিনি বলেন নতুন স্বামীর সঙ্গে ঘর করা একেবারেই সম্ভব নয়। তার সঙ্গে সংসার করলে কিছুদিনের মধ্যেই তিনি মারা যাবেন।

আয়েশার স্বামী নিজের দীর্ঘ পুরু-ষাঙ্গের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। অবশেষে তাদের ডিভোর্স হয়। বর্তমানে আয়েশা অন্যত্র বিয়ে করে এখন দুই সন্তানের মা। তিনি আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে এক নাইজেরিয়ানকে বিয়ে করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here