একটি মাত্র পাতা ব্যবহারে আপনার কালো ঠোঁট হয়ে উঠবে গোলাপি। জেনে নিন কৌশল…

0
17933

একটি পাতার সাহায্যে নিজের ঠোঁট করে তুলুন গোলাপের মত সুন্দর, কিন্তু কিভাবে ? আপনি কি জানেন ঝাল ত্বকের ক্ষেত্রে অনেক উপকারি, কিন্তু ঝাল অনেকেই খেতে চান না। বিশেষ করে মেয়েরা তো একদমই ঝাল খাওয়ার পক্ষপাতী নয়। তবে মেয়েদেরই দরকার বেশি করে ঝাল খাওয়া। নিজেদের সুন্দর রাখার জন্য ঝাল খাওয়া খুব জরুরি। ঝাল খাওয়ার অনেক উপকার রয়েছে, সঙ্গে অনেক অপকারও রয়েছে।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ঝাল খাওয়ার ফলে অপকারের থেকে উপকার বেশি হয়। ঝাল খেয়ে মুখ জ্বলে যায়, ঠোঁট জ্বালা করে, ঘাম হতে থাকে, মুখের ভিতর খুব কষ্ট হয়। এই সব অনুভূতিগুলি কেউ উপভোগ করেন আবার কেউ এগুলিকে যন্ত্রণা হিসেবে নেন।

যারা মনে করেন ঝাল খাওয়া মানে শরীরকে কষ্ট দেওয়া, তারা ঝাল খাওয়া থেকে দূরে থাকে। ব্রাজিলিয়ান এক গবেষক বলেন লঙ্কা হল একটি ফাইটোনিউট্রিইয়েন্ট যা ক্যাপসাইসিন নামে পরিচিত। এই ক্যাপসাইসিন আমাদের স্বাদ গ্রন্থিতে মিশে পাকস্থলীতে তাপমাত্রা বাড়ায় এবং ব্রেনকে ঝালের সঙ্কেত দেয়।

ফলে ব্রেনে ঝালের বার্তা বমি ভাবের সৃষ্টি করে। ফলে সরির অসুস্থ হয়, বমি হয়। এই সব হলে শরীর নানা রকম ভাবে অসুস্থ হতে পারে। বেশি ঝাল পাকস্থলীকে বিষের সংকেত দেয়। আর পাকস্থলী সংকেত দেয় ব্রেনকে।

ঝাল জিহ্বা ও খাদ্যনালীর ক্ষতি করে। ঝাল খাওয়ার ফলে যে বমি ভাব আসে তখন পাকস্থলী থেকে এক অ্যাসিড নির্গত করে। সেই অ্যাসিড খাদ্যনালীতে অস্বস্তির সৃষ্টি করে। বেশি ঝাল খাওয়া মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি করে। এক প্রতিযোগিতায় বেশি ঝাল খেয়ে মারা যাওয়ার ঘটনাও আছে।

ঝাল খাওয়ার আবার কিছু উপকারিতাও আছে। গবেষণায় জানা গেছে – লঙ্কার ক্যাপসাইসিন খিদে কমায়, ফলে মানুষ স্লিম ও সুন্দর থাকতে পারে। এছারাও ক্যাপসাইসিন ক্যালোরি বার্ন করে, শরীরের ব্যাথা কমায়, মাথা যন্ত্রণা ও সাইনাস কমায়। আবার কিছু কিছু ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হতে বাধা দেয়।

ঝালের উপকারিতা পেতে হলে পরিমান মত ঝাল খেতে হবে। যার স্বাদ ভালো লাগবে, খাদ্যের স্বাদ বাড়াবে। যা জিহ্বা, অন্ননালী ও পাকস্থলীর ওপর কম প্রভাব ফেলে। কম ঝাল খেলে শরীরের কোন ক্ষতি হয়না। বরং শরীরের উপকার হয়। মাথা যন্ত্রণা করলে একটা লঙ্কা খেয়ে দেখুন সঙ্গে সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা কমে যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here