‘মা’ সিরিয়ালের সেই ঝিলিক… ছবি গুলি দেখলে চেনা মুশকিল হবে এটা সেই ঝিলিক…

0
14153

ঘরে ঘরে বর্তমানে বাংলা সিরিয়াল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রত্যেক বাড়িতেই সন্ধ্যা হলেই শুরু হয়ে যায় সিরিয়াল দেখার পালা। আর সিরিয়াল দেখার জন্য রয়েছে অনেক জনপ্রিয় বাংলা চ্যানেল। সন্ধ্যা থেকে বাড়িতে সেই নির্দিষ্ট চ্যানেল ছাড়া কিছুই চলেনা। যারা সিরিয়ালের পোকা তাদের নিশ্চই মনে আছে ‘মা’ সিরিয়ালের কথা। ২০০৯ সাল থেকে শুরু হয় এই সিরিয়াল।

৫ বছর ধরে এটি আকর্ষন করে রাখে সকলের মন। আর এই সিরিয়ালটির দর্শকদের মন কাড়ার প্রধান কারন হল সিরিয়ালের ছোট্ট মেয়েটি ঝিলিক আর মা মেয়ের ভালোবাসার গল্প। সব সিরিয়ালের মতন প্রেম, ভালোবাসা, সাংসারিক যুদ্ধ, পরকীয়া এসব থেকে একটু আলাদা করে এই সিরিয়ালটি করার চেষ্টা করা হয়েছিলো।

তাই সিরিয়ালটি অন্য ধাঁচের হওয়ায় সকলের মন কেড়েছিল। ছোট থেকে ঝিলিকের চরিত্রে অভিনয় করতে করতে সে সকলের কাছে ঝিলিক নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছে। তার আসল নাম হল তিথি বসু। তার জন্ম হয় ২০০০ সালে।

মাত্র তিন বছর বয়স থেকেই অভিনয় জগতে কাজ করতে থাকে সে। মা সিরিয়ালের সম্প্রসার থেকে তিথি ওরফে ঝিলিক মন কেড়ে নেয় সকল দর্শকের। তার কাছ থেকে জানা যায় সে যখন মা সিরিয়ালে অভিনয় শুরু করে তখন সে ক্লাস থ্রি তে পড়তো।

আর এই সিরিয়ালে অভিনয় করে সে ঐ বয়সে অনেক পুরষ্কারও পেয়েছে। তার করা চরিত্রটি শুধু কোলকাতায় নয় বাংলাদেশেও খুব জনপ্রিয় হয়েছিলো। বাংলাদেশের একটি চলচিত্রে তাকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিলো।

সে বাংলাদেশে “ব্যাচেলর বউ” নামে একটি ধারাবাহিকে কাজ করেছে। কিন্তু সে এখন অভিনয় জগত থেকে দূরে চলে গেছে। এখন সে অন্য কাজে ব্যাস্ত। সে এখন মন দিয়েছে পড়াশোনায়।

সে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইকোলজি অনার্স নিয়ে ভর্তি হয়েছে। তাই এখন মন দিয়ে পড়াশোনা করছে তিথি। কাজ সম্পর্কে জানা গেছে যে, স্টার জলসায় ময়ূরপঙ্কখী নামে যে সিরিয়াল হয় সেখানে যুক্ত হচ্ছে তিথি।

সেই চরিত্রের নাম হল অন্নপূর্না। সেই চরিত্রে অভিনয় করতে তার খুব ভালো লাগছে। সে বলেছে মা সিরিয়ালে শিশু শিল্পী হিসাবে কাজ করেছে, আর দর্শকরা সেটা পছন্দও করেছে।

এখন সে কোথাও বেরলে সবাই তাকে ঝিলিক নামেই ডাকে। তার একটা কাজেই সে এত জনপ্রিয় হয়েছে যে সে এই কারনে অভিভূত। সে নতুন যে কাজ করতে চলেছে আশা করা যায় সেটাও সাড়া ফেলবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here