প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য দারুন সুখবর। আর কোন বাধাই রাখল না আদালত…

0
38652

আমাদের ভারতীয় সমাজে বৈবাহিক সম্পর্ককে আদি কাল থেকেই মানা হয় পবিত্র অটুট বন্ধন যা ঈশ্বর স্থির করে থাকেন অনেক আগে থেকেই। রাধা কৃষ্ণের জুটিকে পুজো করা হলেও বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে প্রেমের সম্পর্ক গুলিকে আমাদের সমাজ কোনদিনই স্বীকৃতি দেয়নি। সেসব প্রেমকে সমাজ কলঙ্কিত বলেই গণ্য করেছে বারবার। অবৈধ সম্পর্ককে ক-নজরে দেখা হয়।

ইতিহাস থেকে শুরু করে বর্তমান অনেক ঘটনাই সাক্ষী আছে সম্পর্কের নিয়ম নীতি না মেনে চললে কি কি মাসুল দিতে হয়েছে ভালোবাসাকে। প্রবাদ বাক্য ‘অনুযায়ী মিয়াঁ বিবি রাজি তো কেয়া করেগা কাজি’। আর এবার মহামান্য আদালতও এই প্রবাদ বাক্যের সঙ্গে সহমত হল।

ভালো মন্দ ইত্যাদির মানদণ্ড কিন্তু আর আগের মতো নেই। আর ভালোবাসাকে এখন কোন অপরাধের চোখে দেখে না মহামান্য আদালত। ভালোবাসার পর প্রেমের গল্প যখন বিয়ে পর্যন্ত পৌছায়, তখন অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে বাড়ির লোক বিয়েতে নারাজ।

তাই জয় হোক ভালোবাসার। দীর্ঘজীবী হোক সম্পর্ক। সময় বদলাচ্ছে। তাই আইন কানুন বা মানসিকতা কোন কিছুই সময়ের ঘেরাটোপে আটকে থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। সম্পর্কের হাজার জটিলতা দূর করতেই এবং প্রেমিক-প্রেমিকার চিন্তা দূর করতেই আদালতের তরফে ঘোষণা করা হলো একটি বিশেষ রায়।

প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য খবরটি খুবই স্বস্তির। আমাদের সামাজিক নিয়মে বিয়ে বহুদিন ধরে চলে আসলেও যুগের সাথে মানুষ অনেকটাই বদলে গেছে। তবে পুরাতন রীতিনীতিতেও এখনো প্রায় সকলেই বিশ্বাসী। আগে বাড়ি থেকে সম্বন্ধ করা পাত্রপাত্রী সোজাসুজি বিয়ের আসরে মিলিত হতো।

কিন্তু যুগের পরিবর্তনে প্রেমের বন্ধনে বেঁধেই যুগলেরা বিয়ে করতে চায়। এখন লাভ ম্যারেজ হোক বা এরেঞ্জড, বিয়ের বাসরে চার চোখ এক করতে রাজি নয়। জেনে নিন নতুন নিয়ম। প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে বিয়ে না হলে বা সেখানে কারো অভিযোগ থাকলে বা অসম্মতি থাকলে জরিমানা ভরতে হবে ৭০ হাজার টাকা।

এছাড়া ছেলে বা মেয়ের জোর করে অন্যত্র বিয়ে দিলেও থাকবে কঠিন শাস্তি। হাজত বাস করতে হতে পারে। তাই এবার থেকে যুগলেরা অবাধে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারেন, প্রেম করতে পারেন বিনা কোনো বাধায়। ভালোবাসার জগতে আসুক আলোর জোয়ার। ভালো থাকুক ভালোবাসা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here