পাষণ্ড বাবা নিজের মেয়েকে ৫ মাসের অন্তঃস্বত্বা করলেন, তারপর কি হল জানুন…

0
31000

বর্তমান যুগে টিভিতে বলুন কি খবরের কাগজ, সব জায়গাতেই খবর শোনা বা পড়া মানেই ভালোর জায়গায় খারাপ খবরই বেশি থাকে। আর মেয়েদের উপর নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের সমাজ যতই উন্নত হোক না কেন মেয়েদের উপর অত্যাচার হয়তো কোনদিনই বন্ধ হবেনা। ছোট্ট শিশু থেকে বৃদ্ধা কেউই বাদ যায়না যৌ-ন লালসার হাত থেকে।

কিছুদিন আগেই নয়ডায় ঘটে যায় এক সাংঘাতিক খারাপ ঘটনা। নিজের ১৩ বছরের মেয়েকে ধ-র্ষনের অভিযোগ ওঠে তার নিজের বাবার বিরুদ্ধে। দিনের পর দিন সেই মেয়েটির উপর অত্যাচার চলতো। কিন্তু কেউ বুঝতে পারেনি এই ঘটনা। প্রানের ভয় দেখিয়ে মেয়েটির মুখ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল।

তেরো থেকে চোদ্দ বছরের মেয়েটি খুব চটপটে। বরাবর সে সকলের সাথে গল্প করতেই পছন্দ করে। বন্ধুদের সাথে কথা বলতে পছন্দ করে। কিন্তু কিছুদিন ধরে তাকে স্কুলে চুপচাপ থাকতে দেখা যায়। কারোর সাথে কথা বলেনা। এই ব্যাপারটি লক্ষ করে স্কুলের শিক্ষিকরা।

শুধু স্কুলের শিক্ষিক নয়, এই ব্যাপারটি লক্ষ করে পাড়ার অনেকেই। তারপর মেয়েটি সকলের কাছে বলে দেয় তার বাবার কুকীর্তির কথা। মেয়েটির বাবা মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে প্রায় চার বছর আগে। পাড়ার লোকেরা জানায় তার বাবার চরিত্র খুব একটা ভালো ছিলনা তাই তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়।

স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই মেয়েটি তার বাবার কাছে একা থাকে। তার মা তাকে নিয়ে যেতে চাইলেও নিয়ে যেতে বাধা দেয় মেয়েটির বাবা। অনেক চেষ্টা করেও নিয়ে যেতে পারেনি তাকে। মেয়েটি পড়ে জানায় বহুদিন ধরেই তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চলেছে।

দিন দিন তার ওপর অত্যাচার বাড়তেই থাকছিল। প্রথমে লজ্জায় ও ভয়ে মুখ বন্ধ রাখলেও আর নিজের মুখ বন্ধ রাখতে পারেনা মেয়েটি। তাদের বাড়ির আশেপাশের কিছু মহিলাকে সব ঘটনা খুলে বলে এবং তাদের সাহায্য নিয়ে পুলিশের কাছে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ লিখিয়ে আসে।

পুলিশ সূত্রে খবর অভিযুক্ত ঐ ব্যাক্তির উপর “পসকো” আইনে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত প্রথমে তার অপরাধ স্বীকার করেনি। পুলিশের চার্চে স্বীকার করেছে অবশেষে। স্থানীয় হাসপাতালে কিশোরীর উপর শারীরিক অত্যাচারের পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তার প্রমাণও পাওয়া গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here