মাতাল স্বামীকে শিক্ষা দিতে ঘুমন্ত অবস্থায় তার চোখে ফেভিকুইক ঢালল স্ত্রী…

0
5319

স্বামী-স্ত্রী হল পৃথিবীর সবথেকে মিষ্টি মধুর একটি সম্পর্ক। বাবা মায়ের সঙ্গে জন্ম সূত্রে সম্পর্ক থাকে, কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক জীবনের এমন একটি সময় তৈরি হয় যখন একজন সঙ্গির খুব দরকার। তারা তখন একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠে। একে অপরের বিপদে সবসময় পাশে থাকে। দাম্পত্য জীবন সুখের করার জন্য স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়।

সম্পর্কে দুজনের মিলিত প্রচেষ্টা না থাকলে সংসার কখনও সুখের হয় না। সম্পর্ক টিকে থাকে বিশ্বাস, ভালোবাসা, নির্ভরতার উপর। ভালোবাসা না থাকলে কখনোই একে অপরের সঙ্গে সংসার করা সম্ভব নয়। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক একে অপরের জন্যই তৈরি।

একজন ছাড়া অপরজন শূন্য। বিবাহের সময় দুজনেই একে অপরের সঙ্গে সুখে দুঃখে থাকার প্রতিজ্ঞা করে। কিন্তু অনেক স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটে যে আমরা তা দেখে বা শুনে অবাক হয়ে যাই। ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে মধ্য প্রদেশের রেওয়া জেলার কারাহিয়া গ্রামে।

মাতাল স্বামীকে উচিৎ শিক্ষা দেওয়ার জন্য ঘুমন্ত অবস্থায় তার চোখে ফেভিকুইক ঢেলে দেয় তার স্ত্রী। সব স্বামী- স্ত্রীর মধ্যেই কখনো না কখনো ঝগড়া অশান্তি হয়েই থাকে। কিন্তু সেই সামান্য কিছু কারনে এরকম সাংঘাতিক কাজ যে কেউ করতে পারে তা খুব স্বাভাবিক নয়।

একদিন ওই দম্পতির মধ্যে সামান্য ঝগড়া হয়। আর তার পরেই স্বামী যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন তার স্ত্রী তার চোখে ফেভিকুইক দিয়ে দেয়। সেদিন তাদের মধ্যে তেমন কোন বড় অশান্তি হয়নি, কিন্তু হ্যাঁ মাঝে মাঝেই মদ খেয়ে অশান্তি করতো সেই মহিলার স্বামী।

সেই মহিলার নাম হল বিজয়লক্ষ্মী। আর তার স্বামীর নাম হল সন্তোষ। সেদিন রাতে তার চোখে ফেভিকুইক দিয়ে দেওয়ার পর অসম্ভব জ্বালায় ছটফট করতে থাকে সে। তারপর তার বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা এবং প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে। ফেভিকুইক এমন একটি আঠা জাতে অনেক শক্তিশালী কেমিক্যাল থাকে।

এটা চোখের মত জায়গায় গেলে চোখ যে খারাপ হবে তা স্বাভাবিক। এই ঘটনার পর সন্তোষের বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা তাকে নিয়ে যায় হাসপাতালে। এখন সে গুরুতর অবস্থায় স্থনীয় হাসপাতালেই ভর্তি। আর তারা বিজয়লক্ষ্মীর নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। আর তখন থেকে বিজয়লক্ষ্মী বাড়ি থেকে পলাতক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here