‘ভেজাল’ জিনিস বিক্রি করছে ফ্লিপকার্ট, আমাজন, জারি নোটিশ এই দুই সংস্থার বিরুদ্ধে…

0
9793

শপিং করতে কার না ভালো লাগে! আপনার আমার সবার। কিন্তু আজকাল কার দিনে ব্যাস্ত হয়ে যাওয়ার কারনে মানুষের হাতে সময়ের বড়ই অভাব। তাই টেকনলজির বিবর্তন ঘটাতে আমাদের কাছে এসেছে অনলাইন শপিঙের সুবিধা যার ফলে আমরা যখন ইচ্ছে যা ইচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই অর্ডার করে কিনে নিতে পারছি। তাতে আমাদের সময়ও বেঁচে যাচ্ছে আর আমাদের বাইরে বেড়িয়ে রোদ পোয়াতেও হচ্ছে না।

শুধু সেটাই না, এর সাথে আপনি পেয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন অফার ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা উপভোগ করার সুবিধাটিও। প্রতি মাসেই কোন না কোন অফার চলতেই থাকে। শুধু মাত্র একটা ক্লিক আর আপনার অর্ডার চলে আসবে আপনার বাড়ির চৌকাঠে।

ইলেক্ট্রনিক জিনিস পত্র হোক বা কোন মেক আপ কিট, বাচ্ছাদের ডাইপার থেকে শুরু করে বড়দের জিন্সের প্যান্ট, সব কিছুই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন কেবল একটা ক্লিকে। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি এতো টাকা দিয়ে অর্ডার করে আপনি যে জিনিসটা কিনছেন, সেই জিনিসটা আদও সঠিক জিনিস কিনা ? দেখেছেন জিনিসগুলি আসল না নকল ?

হ্যাঁ এরামই কিছু একটা অভিযোগ এসেছে অনলাইনে মাল বিক্রি করার দুই প্রধান এবং শ্রেষ্ঠ সংস্থা আমাজন এবং ফ্লিপকার্ট এর ওপর। নকল এবং ভ্যাজাল জিনিস বিক্রি করার অভিযোগ এনেছে ডি সি জি আই ( ড্রাগ  কন্ট্রল জেনেরেল অফ ইন্ডিয়া ) আমাজন ও ফ্লিপকার্ট এর ওপরে।

শুধু তাই না, এই ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভাবে দেখছেন তারা। তাই নোটিশও জারি করেছেন এই সংস্থাগুলির ওপর। প্রচুর গ্রাহকরাও অভিযোগ জানিয়েছেন যে তারা নয়তো লেট ডেলিভারি পাচ্ছে বা নকল জিনিস তাদের দেওয়া হচ্ছে।

যদিও অনেক গ্রাহকেরা এটাও জানিয়েছেন যে তারা এই ই-কমার্স সংস্থা গুলির সার্ভিসে বেজায় খুশি। কিন্তু কাস্টমার রিভিউ দেখে মাল কেনার পরেও অনেকেরই জিনিস খারাপ হয়ে গেছে বলে রুষ্ট অনেক কাস্টমার। ডি সি জি আই এর এই অভিযোগে পূর্ণ সমর্থন আছে তাদের।

গোপন তথ্য থেকে আরও জানা গেছে যে এই বছরের ৫ এবং ৬ই অক্টবার ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয় এবং সেই তল্লাশিতে উদ্ধার হয় বিভিন্ন নকল ও ভ্যাজাল জিনিস পত্র। এই ঘটনাটি ঘটার পর এই সংস্থা গুলিকে আরও চেপে ধরে ডি জি সি আই। এবার দেখার বিষয় একটাই। নিজেদের কে বাঁচাতে কি যুক্তি পেশ করতে চলেছে ফ্লিপকার্ট ও আমাজন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here