ছেলে দেখতে বাজে গায়ের রং কালো, তবু কারো কথা না শুনে বিয়ের পিড়িতে বসলো এই ইউরোপিয়ান সুন্দরী…

0
2847

হরিয়ানার একটি ছেলে সম্প্রতি বিয়ে করেছে এক সুন্দরী বিদেশি নারীকে। আর তার বিদেশী স্ত্রীকে দেখার জন্য বাড়ির সামনে গ্রামবাসীদের ভির জমেছে। ছেলেটির নাম অমিত, সে থাকে হরিয়ানার একটি গ্রামে। তার বাবা পন্ডিত হরিওম শাস্ত্রী। তিনি ছিলেন একজন সরকারি স্কুলের সংস্কৃত অধ্যাপক। গ্রামে থাকার সূত্রে অমিতেরও পড়াশোনা হয় গ্রামের একটি স্কুলে।

স্কুল শেষ করার পর সে অ্যাকাউন্টেন্সিতে মাস্টার ডিগ্রি করে। আর এই ডিগ্রি শেষ করার পর সে ইউরোপে যায় চাকরির জন্য। তারপর সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় এই বিদেশী কন্যার সাথে। তার নাম হল এলেনা। মেয়েটি আর অমিত এক অফিসেই চাকরি করতো।

এলেনা পড়াশোনা করেছে গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম নিয়ে। এই বিষয়ে সে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছে। অফিস থেকেই শুরু হয় তাদের বন্ধুত্ব। তাদের বন্ধুত্ব ছিল চার বছর। চার বছর পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় বিয়ে করার। আর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা নিজেদের বাড়িতে যায় তাদের সম্পর্কের কথা নিয়ে।

অমিতের বাড়ির লোক খুব খুশি হয় এই কথা শুনে। তারা সবাই আনন্দ পায় যে তাদের ছেলে বিদেশী মেয়েকে বিয়ে করবে। আর এলেনার বাড়ির কেউ বিয়েতে কোন আপত্তি করেনি। তাদের বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পর দুজনেই চলে আসে অমিতের হরিয়ানার বাড়িতে।

তারপর সম্পূর্ন হিন্দু মতে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিয়ে বাড়িতে আসে এলেনার বাড়ির লোকও। তারা সবাই মিলে খুব মজা করে আর খুব আনন্দের সঙ্গে অমিত আর এলেনার বিয়ে দেয়। ছেলের বিদেশী মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে এই আনন্দে অমিতের পরিবার সারা গ্রামবাসীকে নিমন্ত্রন করে।

গ্রামের সবাই খুব উৎসুক ছিল অমিতের বিদেশী বউ দেখার জন্য। তাই বিয়েবাড়ি ভর্তি হয়ে যায় লোকে। প্রায় সারা গ্রাম সেদিন চলে এসেছিল অমিতের বাড়িতে নতুন বউ দেখার জন্য। গ্রামের সব বাচ্ছারা আর মহিলারা এলেনার সঙ্গে ছবিও তোলে।

অমিতের বাড়ি আসার পর এলেনা ভারতীয় রীতিতে পোশাক পরছে। সেই সঙ্গে হিন্দি ও বাংলায় কথা বলাও শিখছে। এলেনার পরিবারের সকলেও আসে অমিতের গ্রামের বাড়িতে। শুধু পরিবার নয়, তার সমস্ত আত্মীয় স্বজনরাও আসে বিয়েতে আনন্দ করতে। তারা খুব আনন্দ করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here