শনিবার ভুলেও এই ৫ টি খাবার খাবেন না, শনিদেবের বক্রদৃষ্টি পরে জীবনটা নরক হয়ে যাবে…

0
14766

শাস্ত্র মতে শনিদেবের প্রকপ সবচেয়ে ভয়ানক। তাই জন্য শনি দেবের প্রকপে নিমেষে ধংস হয়ে যেতে পারে যেকোন মানুষ। জীবনে শুরু হতে পারে নানা রখমের সমস্যা। সব কাজের ব্যাপারে অসফলতা, কাজের ক্ষতি ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। সুখি জীবন, সুখের সংসার শেষ হয়ে যেতে পারে নিমেশের মধ্যে। আশা করছি তাহলে বুঝতেই পারছেন শনি দেবের প্রকপ কতটা ভয়ঙ্কর।

এবার আসছে একটা বড় প্রশ্ন। ঠিক কোন সময় শনি দেবের প্রকপ সব থেকে বেশি থাকে। সত্যি কথা বলতে এই জিনিসটা বলা আগে থেকে কারুর পক্ষেই সম্ভব নয়। তাই জন্য তো শনি দেবকে সন্তুষ্ট রাখা সবার পক্ষে খুবই জরুরী।

শনি দেবকে খুশি করতে পাড়লে শনি দেবের আশীর্বাদ সর্বদা আপনার সাথে থাকবে। তাই শনিবারে যদি পারেন শনি দেবের পুজো করার পাশাপাশি কিছু কিছু খাবার খাওয়াও আপনাকে ত্যাগ করতে হতে পারে। তাতে শনি দেবের আশীর্বাদ তো পাবেনই আর জীবনেও উন্নতি করবেন। বিভিন্ন সমস্যার আশংকাও তার সাথে কমবে।

কিন্তু এখানেও রয়েছে এক প্রশ্ন ? শনি ঠাকুরের রেগে যাওয়ার সাথে খাবারের সম্পর্কটা ঠিক কোথায় ? জ্যোতিষ মত অনুযায়ী শনি ঠাকুর বেশ কিছু খাবার দাবার একেবারেই পছন্দ করেন না। তাই এরাম ধরনের কিছু খাবার খেলে শনি ঠাকুর এতটাই রেগে যান যে যেকোন ব্যাক্তির জীবনে কাল ডেকে আনতে পারেন। তার মধ্যে কিছু খাবার হল –

আমের আচার – আম সকল বাঙালীরই খুব প্রিয়। আর আমের আচার হলে তো কথাই নেই। কিন্তু শনি দেবকে প্রসন্ন করতে হলে শনিবার আপনাকে এই মুখরোচক খাওয়ারটির থেকে দূরে থাকতে হবে। নয়তো শনিদেবের প্রকপ আপনার ওপর পড়বে এবং বিভিন্ন রখমের আর্থনিতিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মুসুর ডাল – শনি দেবকে প্রশন্ন যদি করতে চান তাহলে শনি দেবের মন্ত্র পড়বেন, তার সাথে সাথে অবশ্যই ত্যাগ করবেন মুসুর ডাল খাওয়া সেই দিনের জন্য। নয়তো জ্যোতিষীদের মতে মুসুর ডাল খেলে এই দিনে আপনার জন্ম কুষ্ঠিতে শনিদেবের গ্রহের অবস্থানে পরিবর্তন আসতে পারে।

এলকোহল – আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো স্যাটারডে নাইট পার্টি করতে ভালোবাসেন। কিন্তু জানেন কি  এটাতে বেশ অসন্তুষ্ট হতে পারেন শনি দেব। আপনার জীবন ঝামেলায় দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে। শুধু তাই না,  আপনার কর্ম জীবনে সম্মান হানির আশংকাও থাকতে পারে।

সরষের তেল – এমন বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি শনিবার শনি দেবের ছবি বা মূর্তির সামনে সরষের তেলে জ্বালানো প্রদীব রাখলে তিনি খুব প্রসন্ন হন। আর ঠাকুরের পুজোয় যে তেল কাজে লাগানে হচ্ছে সেটিকে দিয়ে যদি রান্না করা হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সর্বশক্তিমান বেজায় রুষ্ট হবেন।

কালো তিল – শাস্ত্র মতে প্রতি শনিবার কালো তিল এবং সরষের তেল নিবেদন করে যদি দেবের অরাধনা করা হ, তাহলে ঠাকুর এতটাই প্রসন্ন হন যে শনির সাড়ে সাতির প্রভাব কমতে সময় লাগে না। কিন্তু একেবারেই উলটো ঘটনা ঘটে যদি শনিবার কালো তিল খাওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here