নিজের মেয়েকে যে কারণে বিয়ে করলেন বাবা ! জানলে চোখে জল চলে আসবে…

0
2118

বিয়ে হল একটি ছেলে বা মেয়ের কাছে স্বপ্নের দিন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিয়ে ব্যাপারটা যে ঠিক কি তা জানার পর থেকেই মনে মনে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে প্রতিটা ছেলে মেয়ে। শুধু একটা ছেলে বা মেয়ে নয় তাদের পরিবারও স্বপ্ন দেখে সেই বিশেষ দিনটি নিয়ে। এরকমই আর বাকি বাবা মায়ের মতোই স্বপ্ন দেখেছিলো ‘পপি’র বাবা অ্যান্ডি বার্নার্ড।

তার মেয়ের যখন মাত্র ১৬ মাস বয়স তখন মেয়ের বিয়ে দেন বাবা। সেই বয়সে সে জানতো না বিয়ে কি… কোন কিছু বোঝার ক্ষমতাই হয়নি তার। আপনারা হয়তো ভাবছেন যে কেন এই বয়সে বিয়ে ? আসলে ব্যাপারটা হয়েছিলো যে তার মেয়ের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে তিনি এবং তার স্ত্রী স্বপ্ন দেখেছিলেন মেয়ের বিয়ে নিয়ে।

তারা ভেবে রেখেছিলেন যে মেয়ে বড় হলে তার ভালো করে জাঁকজমক করে বিয়ে দেবে। কিন্তু সেই মেয়ের যখন ১৬ মাস বয়স হল সে পড়ল অসুখে। ডাক্তারের কাছে যেতে ডাক্তার জানায় সেই ছোট্ট মেয়েটি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। তার আয়ু মাত্র ২দিন।

ডাক্তারের কথা শুনে মেয়ের বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে চাইলেন বার্নার্ড। কিন্তু কে বিয়ে করবে ঐ মেয়েকে? পাত্র কোথায় পাবে? অগত্যা কোন উপায় না পেয়ে নিজেই বিয়ে করলেন মেয়েকে। নিজে বিয়ে করে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন বার্নার্ড।

সেই সন্ধ্যায় হল পপি ও বার্নার্ডের এক নিরানন্দের বিয়ে। বার্নার্ডের সহকর্মীরা সব খবর পেয়ে বিয়ের সমস্ত ব্যবস্থা করেন। পপিকে বিয়ের কনের সাজে সাজিয়ে দেন তার মা সাম্মি বার্নার্ড। বাকি কাজ কর্ম করলো বড় দুই ভাই।

বার্নার্ড দুঃখ করে বলেন যে – তিনি পপির জন্মের পর স্বপ্ন দেখেছিলেন মেয়ের অনেক ধূমধাম করে বিয়ে দেবেন। কিন্তু এরকম যে হবে তা সে ভাবেনি। এটা তার কাছে কোন বিয়ে না। কিন্তু পপি একটা বিয়ের দিন পেল।

পপির মা সাম্মি জানান কিছুদিন আগেই পপি হঠাত অসুস্থ হয়ে পরে। খাওয়া দাওয়া সমস্ত কিছু বন্ধ হয়ে যায়। তারপর তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান সাম্মি। বার্নার্ড যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় তাকে সব কথা ফোনে জানায় সাম্মি। হসপিটালেও ভর্তি করা হয় পপিকে।

কিন্তু ডাক্তার তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলেন। আর কিছু করার নেই বলে্ন। অবশেষে বার্নার্ড ঐ অভিনব সিদ্ধান্ত নেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here