শ্রীকৃষ্ণের এই ৪ টি উপদেশ মেনে চলুন। আপনার জীবনে কোনদিনও কোন সমস্যা আসবে না…

0
18301

আমরা সবাই বিভিন্ন ঠাকুরের পূজো করি। সব ঠাকুরের মধ্যে কৃষ্ণ ভগবানের ভক্ত অনেক বেশি। বিশেষ করে তরুন প্রজন্ম কৃষ্ণের খুব ভক্ত। কৃষ্ণ হলেন প্রেমের দেবতা। রাধা কৃষ্ণের প্রেম সারা জগত বিখ্যাত। আমাদের সকলের মনে কৃষ্ণ বাস করেন। সকলেরই এই ভগবানের উপর অপার বিশ্বাস। আমাদের এই জীবন বদলে দিতে পারে শ্রীকৃষ্ণের কিছু কথা।

আমরা সকলেই জানি শ্রীমদ্ভগবদগীতার কথা। সেখানে কৃষ্ণের কিছু বানী লেখা আছে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় অর্জুন আপনজনদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হবে এবং তাদের প্রাণ নিতে হবে এই কথা ভেবে ভয়ে ভীত হয়ে পড়েছিলেন।

তখন শ্রীকৃষ্ণ তাকে কিছু উপদেশ দেন, সেই উপদেশ গীতার বানী। আজ সেই বিষয়ে কিছু আলোচনা করবো, যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবন।

১। গর্ব, অভিমান এবং অহংকার এই তিন অনুভূতিকে আমরা একই রকম ভাবে দেখি। আমরা মনে করি এই তিনটি একই। কিন্তু আমাদের ধারনা ভুল। আমাদের মনের মধ্যে এই তিন অনুভূতি আসে নিজের প্রতি প্রেম ও অহংবোধ থেকে।

আমরা যখন উন্নতির জন্য কঠোর পরিশ্রম করি তখন আমাদের মনে জন্ম নেয় গর্ব, কঠোর পরিশ্রমের পর যখন আমরা সফল হই, সেই সফলতা জন্ম দেয় অভিমানের। কিন্তু সমস্যার সৃষ্টি হয় তখন যখন সেই অভিমান থেকে অহংকারের জন্ম হয়। কারণ অহংকার কখনো মানুষকে উপরে তুলতে পারেনা। ধীরে ধীরে নামিয়ে আনে অবনতির দিকে।

২। মানুষের সবথেকে বড় শত্রু হল তার নিজের রহস্য। নিজের রহস্যই আপনার বিনাশের জন্য যথেষ্ট। তাই নিজের রহস্য কখনো কাউকে বলা উচিৎ নয়। সেই রহস্য আপনার মধ্যে রহস্য হয়েই থাকতে দিন।

৩। আমাদের শরীরে ইন্দ্রিয় পাঁচটি। চক্ষু, কর্ন, জিহ্বা, নাসিকা এবং ত্বক। চোখ দিয়ে আমরা দেখি, কান দিয়ে শুনি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের দুটো কান, দুটো চোখ, দুটো নাসারন্ধ্র দিয়েছেন। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কি যে জিহ্বা একটা কেন দিয়েছেন? কারণ প্রকৃতি চায় আমরা কথা কম বলি। কারণ বেশি কথা সৃষ্টি করে বাচালতার। বাচালতা অনেক মানুষের বিনাশের কারণ হয়।

৪। মানুষ এমন এক ধরনের বিচিত্র শ্রেনীর প্রাণী যে সে নিজের থেকে আর্থিক দিক থেকে ছোট মানুষকে সর্বদা ঘৃনা করে। তাকে আরো নীচে দেখানোর চেষ্টা করে। সবার সামনে তাকে ছোট করে। তাকে নিরাস করে বলে যে তার দ্বারা জীবনে কিছুই হবেনা।

কিন্তু তারা ভুলে যায় হাজার বড় বড় মানুষের থেকেও বড় একজন আছে। সে হল সময়। সময় কখন বদলে যায় কেউ জানেনা। তাই কখনো কাউকে ছোট করতে নেই, বরং সে কিকরে উন্নতি করতে পারবে তাকে সেই পথ দেখানো উচিৎ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here