হায়দ্রাবাদ গনধ’র্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত ৪ জনের মৃত্যু কিভাবে হল এনকাউন্টারে ?…

0
9592

ধ’র্ষণ এখন সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাড়িয়েছে। সকালবেলা খবরের কাগজ খুললেই প্রায় প্রতিদিন ধ’র্ষণের খবর চোখে পরে। অনেকে এখন এধরনের অপরাধের সাথে মিশে যাচ্ছে। নিজেদের যৌ’ন ক্ষিদা মেটাতে ধ’র্ষণের মত একটা নোংরা অপরাধ করতে পিছপা হচ্ছে না। আর যত এধরনের অপরাধ ঘটছে ততবারই প্রশ্নের মুখে পড়ছে নারী নিরাপত্তা। আমজনতা থেকে বুদ্ধিজীবী এখনও অন্ধকারে কেনো বাড়বার এধরনের জঘন্য অপরাধ ঘটছে।

আমরা সকলেই এহেন অপরাধ নিয়ে লজ্জিত, কোন ভারতে আমরা বাস করছি। প্রায় দিন পেপার খুললে দেখা যায় ধ’র্ষণ আর খুনের মত জঘন্য অপরাধের খবর। নারীরা তো মায়েরই জাত। অথচ আমরা সেই মাকেই রক্ষা করতে পারছি না, তাদের নিরাপত্তা দিতে পারছি না।

ধ’র্ষণ হওয়ার পরে আমরা মোমবাতি মিছিল, আরও অনেক কিছু করে থাকি। কিন্তু সেই পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয় সেই ব্যাপারে আমরা কেউই এগিয়ে আসি না। প্রশাসনও এই ব্যাপারে নির্বিকার থাকে অনেক সময়। অনেক সময় সমাজ ধ’র্ষিতার চরিত্র বিচার করতে বসে। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসন ততপর হয় ধ’র্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

সম্প্রতি হায়দ্রাবাদে একটি ঘটনা ঘটেছে। প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি নামে এক পশু চিকিৎসককে ধ’র্ষণ করে খুন করা হয়। সুত্রের খবর, কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে তার গাড়িটি খারাপ হয়ে যায়। সে স্থানীয় এক লরি ড্রাইভারের কাছ থেকে সাহায্য চাইতে গিয়ে বিপদে পরে।

ওই লরি ড্রাইভার তার সঙ্গীকে ডেকে পরিকল্পনা করে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে ধ’র্ষণ করে তারপর তার গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এঘটনার পরই গোটা হায়দ্রাবাদ উত্তাল হয়ে ওঠে। শেষে ধরা পরে ওই চার অপরাধী। তাদের আদালতে তোলা হলে ফাসির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এমন কি এই ঘটনার পর ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ঘোষণা করেন ধ’র্ষণের নুন্যতম সাজা ফাসি। এসবের মধ্যে ঘটনার নাটকীয় মোড় নেয় শুক্রবার। ঘটনার পুনঃনির্বাচনের জন্য ওই চার অপরাধীকে নিয়ে যাওয়া হয় সেই ঘটনাস্থলে যেখানে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে গায়ে আগুন দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশ জানায় তখনই পালানোর চেষ্টা করে চার অভিযুক্ত। আর তখনই এনকাউন্টার করা হয়, আর তাতেই চারজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পরে প্রিয়াঙ্কার মা বলেছেন এতে আমার ক্ষতে মলম লাগল, আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে।

এছাড়াও ২০১২ সালে ধ’র্ষণ ও খু’ন হওয়া নির্ভয়ার মা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন, যাক অন্তত একজন কন্যা সুবিচার পেলো। এইঘটনার মাধ্যমে সমাজের কাছে বার্তা গেল এরপর এধরনের অপরাধের আগে সবাই ভাববে। পুলিশ সুত্র জানিয়েছেন অভিযুক্ত চার জন, আরিফ, নবীন, শিবা ও চেন্নাকেসাভুলুর এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here