পাঁচ বছরের শিশুর শরীরে ইনজেক্ট করে দিতেন কাকা যৌ-ন হরমোন ! তারপর ?

0
34787

দিনের পর দিন মানুষ এর মধ্যে থেকে হারিয়ে যাচ্ছে মনুষ্যত্ব। লোভে পরে মান এবং হুঁশ দুটোই হারিয়ে যাচ্ছে সকলের। যত দিন যাচ্ছে মানুষ হয়ে উঠছে জানোয়ারের অধম। তাদের যৌ-ন লালসা ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক বৃদ্ধা কাউকেই আর মানছে না। প্রায় প্রতিদিনই খবরের শিরোনামে একটি করে ধ’র্ষণের খবর পাওয়া যাবেই।

দিনের পর দিন কিছু মানুষ রূপি পশু নারীদের ওপর করে চলেছে অমানবিক অত্যাচার। তারা বাচ্চা শিশু হোক বা নাবালিকা কাউকেই বাদ দিচ্ছে না। শুধু তাই নয়, নিজেদের যৌ-ন পিপাসা মেটানোর পাশাপাশি বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের যাতে দেখতে বড় মনে হয় তার জন্য তাদের দেওয়া হয় যৌ-ন ইনজেকশন।

৬ থেকে ১৫ বছরের মেয়েদের যৌ-ন উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য ব্যাবহার করা হয় এই জিনিসটি। যৌ-ন ইনজেকশন দিয়ে তাদেরকে জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয় দেহ ব্যাবসায়। এমনই এক ঘটনার কথা আজ আপনাকে বলতে চলেছি আমরা।

তেলেঙ্গানা স্টেটের ভঙ্গি জেলার এক সাধারণ বাসিন্দা একটি মন্দিরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সেখানে তার চোখে যা পরে তা দেখে সে আঁতকে ওঠে। সে দেখতে পায় একটি বাচ্চা মেয়ে চিৎকার করছে কিছু মানুষ রূপি পশুর সামনে।

তিনি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সহ এলাকার বেশ কিছু লোক জনকে নিয়ে হাজির হন। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ১১ জন শিশু কন্যাকে। তাদের মধ্যে একটি মেয়ের বয়স মাত্র ৫ বছর। পুলিশ তাদের উদ্ধার করার পর জানতে পারে তাদের ওপর দিনের পর দিন যৌ-ন উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য ব্যাবহার করা হত সেই ইনজেকশন।

উত্তেজনা সৃষ্টি করার জন্য দামি হরমোন প্রয়োগ করা হত তাদের ওপর। দিনের পর দিন যৌ-ন নির্যাতনের প্রমাণও পাওয়া গেছে তাদের যৌ-নঙ্গে। তারপর ৮টি যৌ-ন পল্লিতে হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকে আটক করা হয় বেশ কয়েকজন দালাল এবং সন্দেহজনক ব্যাক্তিকে।

তাদের জেরা করায় জানা গেছে বাচ্চা মেয়েদের ওই হরমোন দেওয়ার জন্য ডাক্তারের কমিসন থাকতো মাথা পিছু প্রায় ২৫০০০ টাকা করে। এই বাচ্চাদের মধ্যে একজনকে বিক্রি করে দিয়েছিল তার কাছের একজন আত্মীয়।

সম্পর্কে সে ছিল তার কাকা। পুলিশ আরও জানিয়েছে এই বাচ্চারা সবাই স্থানিয় নয়। বিভিন্ন প্রদেশ থেকে পাচার করা হয়েছে তাদের। তাদের ধরে কঠিন শাস্তি দেওয়ার ব্যাবস্থাও করছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here